Published : 24 Jul 2026, 07:13 PM
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের বিষয়ে এখনই কোনো উদ্বেগের কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন শুল্ক আরোপ করলেও সামগ্রিক শুল্কের হারে কোনো পরিবর্তন আসছে না। এর কারণ হলো, পূর্বে আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কারোপের প্রেক্ষাপটে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমাদের পণ্যের রপ্তানি সক্ষমতা এখনও অক্ষুণ্ণ রয়েছে। বিজিএমই-এর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ব্যাখ্যা করেন, গত বছর এপ্রিলে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, যা দর-কষাকষির মাধ্যমে ২০ শতাংশে নেমে আসে।
বাণিজ্য চুক্তির পর পাল্টা শুল্ক ১৯ শতাংশে স্থির হয়। যদিও মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এই পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করে, পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের অধীনে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এই সময়কাল শেষ হতেই ট্রাম্প প্রশাসন আবার নতুন শুল্ক আরোপ করে। মাহমুদ হাসান খান জোর দিয়ে বলেন, পাল্টা শুল্ক স্থগিত থাকা সত্ত্বেও, মার্কিন ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি পোশাকের দর-কষাকষির সময় এই সমপরিমাণ শুল্ক হিসাব করেই আলোচনা করে আসছে। তাদের ধারণা ছিল, অন্য কোনো উপায়ে এই শুল্ক আরোপ হতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে মনে হচ্ছে, তেমন কোনো বড় পরিবর্তন আসবে না। তিনি সতর্ক করেন যে, যদি কোনো প্রতিযোগী দেশের ওপর বাংলাদেশের তুলনায় কম শুল্ক হার থাকে, তবে তা আমাদের পণ্য রপ্তানির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তিতেও এমন একটি বিধান ছিল, কিন্তু সেই কাঠামো এখনো কার্যকর হয়নি। ফলস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলা দিয়ে উৎপাদিত পোশাক রপ্তানিতে আমরা এখনও কোনো শুল্ক ছাড় লাভ করছি না।।
এপ্রিল মাসে রপ্তানি ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো, তবুও সামগ্রিক ঘাটতি রয়েই গেল